
এই টিপস ফলো করলে কম আসবে বিদ্যুতের বিল !!
how to save or reduce electricity bill ?
✅ বিদ্যুৎ ছাড়া আমাদের কাজ চলতে পারে না। এর কারণ হল ফ্যান, ফ্রিজ, টিভি, হিটার, ওয়াশিং মেশিন, কুলার, এসি এর মতো এমন অনেক দৈনন্দিন জিনিস রয়েছে। যা ছাড়া বেঁচে থাকাই সম্ভব নয়। এসব ব্যবহারের ফলে বিদ্যুৎ বিল বাড়তে থাকে। ফলে
মাস শেষে যখন বিদ্যুতের বিল আসে তখন অনেকের মাথা নষ্ট হয়। এসি ব্যবহার না করেও অনেকের ইউনিট বেশি পুড়েছে। আপনি জানেন এর কারণ কি? শুধু বিদ্যুতের বিল বাঁচাতে হবে এমন নয়, বিদ্যুৎ সংরক্ষণ করতে হবে। কিছু নিয়ম মেনে চললে এই বিলের খরচ কমানো যায়।
Save Electricity ➤ বিদ্যুৎ বিলের মাসিক খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিদ্যুতের ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। একটু সতর্ক থাকলে বাড়তি বিদ্যুৎ খরচ এড়ানো সম্ভব।
১০০০ ওয়াটের একটি এসি ১ ঘন্টা চালালে ১ ইউনিট বিল আসবে। ৫০০ ওয়াটের ফ্রিজ ২ ঘন্টা চালালে ১ ইউনিট বিল আসবে। ইউনিট এবং কিলোওয়াট ঘন্টা শক্তির একক। আর ওয়াট ক্ষমতার একক।
বিদ্যুতের বিল কমাতে এমন অনেক টিপস রয়েছে। যা অনুসরণ করে আপনি একটি বিশাল পরিমাণে বিল কমাতে পারবেন। ম্যাজিকের মতো কমে যাবে- Electricity Bill- এখানে আমরা আপনাকে কিছু সমাধান বলছি। এর মাধ্যমে আপনি সহজেই আপনার বিদ্যুৎ বিল অর্ধেক কমাতে পারবেন। মাসিক খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিদ্যুতের ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। একটু সতর্ক থাকলে বাড়তি বিদ্যুৎ খরচ এড়ানো সম্ভব।
⚡️ গরমের সময় বিদ্যুৎ বিল বেড়ে দ্বিগুণ হয়ে যায়। কারণ বাতি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, ওয়াশিং মেশিন, ওভেন, ব্লেন্ডার, আয়রন মেশিনসহ আরও অনেক কাজে বিদ্যুৎ খরচ তো হয়ই।
▷ বিদ্যুতের কিলো ওয়াট হিসাব !
১০০০ ওয়াটের একটি এসি ১ ঘন্টা চালালে ১ ইউনিট বিল আসবে। ৫০০ ওয়াটের ফ্রিজ ২ ঘন্টা চালালে ১ ইউনিট বিল আসবে। ইউনিট এবং কিলোওয়াট ঘন্টা শক্তির একক। আর ওয়াট ক্ষমতার একক।
🥵 আর প্রবল গরমের সময় তো বলাই বাহুল্য । গ্রীষ্মকালে (Summer) দেশের অধিকাংশ জায়গায় মাত্রা ছাড়ায় পারদ। গরম থেকে বাঁচতে ভরসা এসি (AC)। কিন্তু লাফিয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের দাম।
সম্প্রতি কয়লা ও গ্যাস সঙ্কটের জেরে দেশের অনেক জায়গায় বিদ্যুতের ঘাটতিও দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ খরচ যাতে কম হয় এবং গরম থেকে বাঁচার জন্য জানতে হবে Electric Efficiency যা এমন কিছু গরম থেকে বাঁচাবে, বিল কমাবে বিদ্যুতেরও (Electricity Bill)।
📢 বিদ্যুতে ভর্তুকির চাপ সামলাতে আগামী তিন বছরে মোট ১২ দফা দাম বাড়াবে সরকার। বিদ্যুৎ বিভাগ ঢাকা সফররত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধি দলকে এ কথা জানিয়েছে।
💬 আইএমএফের পরামর্শ মেনে ভর্তুকি প্রত্যাহার করা হলে বিদ্যুতের দর ১২ টাকার ওপরে নিয়ে যেতে হবে। সে ক্ষেত্রে ভোক্তাপর্যায়ে গড়ে বিদ্যুতের দাম হবে প্রায় ১৫ টাকা, যা এখন আছে ৮ টাকা ৯৫ পয়সা।
— Electricity Bill, কত ব্যবহারে কত খরচ ? বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার
😱 মাস শেষে যখন বিদ্যুতের বিল আসে তখন অনেকের মাথা নষ্ট হয়। এসি ব্যবহার না করেও অনেকের ইউনিট বেশি পুড়েছে। আপনি জানেন এর কারণ কি?
শুধু বিদ্যুতের বিল বাঁচাতে হবে এমন নয়, বিদ্যুৎ সংরক্ষণ করতে হবে। কিছু নিয়ম মেনে চললে এই বিলের খরচ কমানো যায়।
তাই বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে চাইলে কিছু বিষয় মনে রাখা জরুরি।
আসুন জেনে নিই বিদ্যুৎ বিল কমানোর কিছু কৌশল:
✅ আপনার ঘরে যদি পুরনো বাল্ব বা টিউবলাইট থাকে তাহলে সেগুলো বদলে ফেলুন। সেই সাথে পুরানো ফ্যানও সরিয়ে ফেলুন এবং BLDS ফ্যান ইনস্টল করুন। যদি আপনার বাড়িতে পুরানো ফ্যান ইনস্টল করা থাকে, তবে সেগুলি অবিলম্বে বদলে নেওয়া উচিত।
এই ফ্যানগুলি ১০০ থেকে ১৪০ ওয়াটের হয়। যেখানে এখন বাজারে এসেছে নতুন প্রযুক্তির BLDS ফ্যান। এগুলি ৪০ ওয়াট পর্যন্ত এবং এতে বিদ্যুত খরচ অনেক কম হয়।
✅ বাড়িতে বিদ্যুতের বিল কমাতে ঘরের টিউব লাইট সরিয়ে এলইডি বাল্ব লাগাতে হবে। বাজারে ২ ওয়াট থেকে ৪০ ওয়াট ক্ষমতার LED বাল্ব পাওয়া যায়। যা আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী কিনতে পারেন।
সুতরাং বাড়িতে বিদ্যুতের বিল কমাত- LED (Light Emitting Diode) বাল্ব এর ব্যবহার বাড়ান। ব্যবহার করুন সিএফএল বা এলইডি লাইট। এসব লাইটের আলোয় ফিলামেন্টের তুলনায় সার্কিট ব্যবহার হওয়ায় বিদ্যুতের খরচ কমে।
✅ গৃহস্থালির ইলেকট্রিক বোর্ডে Light Indicator টি বন্ধ রাখুন। ৩ টির মতো নির্দেশক লাইট থাকলে দৈনিক ৬০-৭০ ওয়াট মতো বিদ্যুৎ খরচ হয় যা আপনার বিদ্যুৎ খরচ বাড়িয়ে দেয়। তাই বিদ্যুৎ খরচ রোধ করতে লাইট ইন্ডিকেটর বন্ধ করুন।
✅ মোবাইল চার্জার থেকে খোলার পর অবশ্যই সুইচ বন্ধ করতে হবে।
✅ একটানা এসি না চালিয়ে মাঝে কয়েক ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখুন। ঘণ্টা খানেক এসি চালানোর পর সেটি বন্ধ রাখলেও ঘর ঠান্ডা থাকবে অনেকক্ষণ।
✅ বেশিরভাগ সময় এসি রিমোট দিয়ে বন্ধ করার পর সুইচ বন্ধ করি না। এতেও কিছুটা অতিরিক্ত ইউনিট পোড়ে।
✅ যে কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র কেনার সময় স্টার রেটিংয়ে ভরসা রাখুন। কোনো যন্ত্রের স্টার রেটিং বেশি হলে তার ইউনিট বাঁচানোর ক্ষমতাও ততোধিক।
✅ পুরনো তার, পুরনো যন্ত্র ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল বাড়ে। তাই ১০-১৫ বছরের পুরনো যন্ত্র বা তার ব্যবহার না। আধুনিক যন্ত্র ব্যবহার করুন।
✅ ঘন ঘন এসি চালু ও বন্ধ করবেন না। চালিয়ে কিছুক্ষণ পর বন্ধ করাই নিয়ম।
✅ কম্পিউটার যখন ব্যবহার করবেন না তখন চালিয়ে রাখবেন না। বন্ধ করে রাখুন অথবা স্লিপ মোডে রাখুন। এতে বিদ্যুৎ কম খরচ হবে।
✅ রোদ পড়ে এমন জায়গায় এসির আউটলেট রাখবেন না। অনেকে মাথার ওপরে একটি শেড করে দেন। এটিও ভুল ধারণা। এসি মেশিন রোদ-বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাতে ঢেকে রাখলে তাতে মেশিন খারাপ হয় তাড়াতাড়ি।
✅ ইনভার্টার এসি বিদ্যুৎ বিল কমায়। ইনভার্টার এসি-তে এই ধরনের ব্যবস্থা দেওয়া হয়। যা বিদ্যুৎ খরচ কমায়। এভাবে চেষ্টা করলে আমরা বিদ্যুতের বিল অনেকটাই কমাতে পারি। আর এসির ( air Cooler ) তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রির নীচে নামাবেন না । তাতে বেশি ইউনিট খরচ হয়।
✅ ফ্রিজ খালি থাকলে বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়। তাই ফল ও সবজি সবসময় ফ্রিজে রাখা উচিত। এছাড়াও, ফ্রিজ সবসময় নর্ম্যাল মোডে রাখলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। আর দিনে এক ঘণ্টা করে বন্ধ রাখুন ফ্রিজ। যন্ত্রও বিশ্রাম পাবে, বিদ্যুৎও বাঁচবে।
✅ সোলার প্যানেল থেকে উৎপন্ন সৌর শক্তি ব্যবহার করুন। এর মাধ্যমে আমরা ঘরে বিদ্যুৎ খরচ মেটাতে পারি। সৌর প্যানেল ইনস্টল করে, আপনি সারা দিন আপনার বিদ্যুৎ বিল কমাতে পারেন।
Inspiration ( Electricity Efficiency )
নিয়ম করে সব যন্ত্রেরই সার্ভিসিং করান সময় মতো। এতে যন্ত্র ভাল থাকে ও কম বিদ্যুৎ টানে। এভাবে উপরের এই কয়েকটি বিষয় নজরে রাখলে এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলি সঠিক সময়ে বিদ্যুতের সাথে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলে আপনার বিল প্রায় অর্ধেক শতাংশ কমে যাবে।
🗲 বিদ্যুতের যেমন দামও বেড়েছে, বিদ্যুৎ ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা সেভাবে তৈরি হয়নি। বিদ্যুৎ ব্যবহার যত বেশি হবে সেই মার্জিনে দাম তত বেশি আসবে।
🟢 উত্তর ▷✅
পুর্বে আমাদের ধারণা ছিল যে বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ একই হয় ? কারণ পর্যাবৃত্ত গতি ! নির্দিষ্ট সময় পর পর একইভাবে একই দিকে স্পন্দিত বা গতিশীল হয়। ঘড়ির কাটা, বৈদ্যুতিক পাখা, সাইকেলের চাকা ইত্যাদির গতিও পর্যাবৃত্ত গতির উদাহরণ। তবে আসলে, এটি সঠিক নয়। বৈদ্যুতিক পাখার বিদ্যুৎ খরচ তার গতি এবং মোটরের কার্যকারিতা অনুসারে পরিবর্তিত হয়।
আর এই ধারনাটি ছিলো মুলত পর্যাবৃত্ত গতি বা Oscillatory motion, এর ভিত্তিতে যা বাস্তবিকভাবে কিছু যন্ত্রের গতির বৈশিষ্ট্য হতে পারে, যেমন পাখা বা সাইকেলের চাকা।
পর্যাবৃত্ত গতি, যা এমন একটি গতি যেখানে কোনো বস্তু নির্দিষ্ট সময় পর পর একইভাবে একই দিকে স্পন্দিত বা গতিশীল হয়, যেমন ঘড়ির কাটা, বৈদ্যুতিক পাখা, বা সাইকেলের চাকা। কিন্তু, বৈদ্যুতিক পাখার ক্ষেত্রে ব্যাপারটি একটু আলাদা।
বৈদ্যুতিক পাখা এবং বিদ্যুৎ খরচ:
যখন বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘোরে, অর্থাৎ তার গতি কমে যায়, তখন তার বিদ্যুৎ খরচও কমে যায়,
কারণ:
মোটরের শক্তি কমে যায়: পাখার গতি কমানোর জন্য মোটরের ঘূর্ণনশক্তি কম হয়, এবং এর ফলে বিদ্যুৎ খরচও কমে যায়।
গতি ও শক্তি সম্পর্ক: বৈদ্যুতিক পাখার শক্তি খরচের সাথে তার গতি সরাসরি সম্পর্কিত। সাধারণত, পাখার গতি কমালে মোটর কম শক্তি খরচ করে।
আপনার বলার মতো, পাখা যদি পর্যাবৃত্ত গতির সাথে চলতে থাকে, তবে এটি অবশ্যই এক ধরনের কম্পন/স্পন্দন গতি হতে পারে, তবে এটি যদি নিরবচ্ছিন্নভাবে চলতে থাকে, তাহলে এটি সাধারণভাবে এক ধরনের সামঞ্জস্যপূর্ণ গতি হয়ে থাকে, যেমন পাখা ঘুরছে একটি নির্দিষ্ট গতি বজায় রেখে।
উপসংহার:
বিদ্যুৎ খরচ একই থাকে না, যদি পাখার গতি কমে যায়, তাহলে শক্তি খরচও কমে যাবে, কারণ পাখার মোটরের কর্মক্ষমতা এবং বিদ্যুৎ গ্রহণের পরিমাণ গতি কমানোর সাথে সঙ্গেই কমে যায়। পর্যাবৃত্ত গতি বা Oscillatory motion, বৈদ্যুতিক পাখার জন্য এটি একটু ভিন্নভাবে কাজ করে, যেখানে গতি কমালে বিদ্যুৎ খরচ কমে।-------এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে---বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ কেমন হয়
🟢 উত্তরঃ ▷✅ হ্যাঁ, স্মার্ট প্রযুক্তি যেমন স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট, স্মার্ট লাইটিং সিস্টেম, এবং স্মার্ট আ্যপ্লায়েন্সের মাধ্যমে আপনি আপনার বিদ্যুৎ খরচ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। এই প্রযুক্তি আপনার ব্যবহারের ওপর নজর রাখতে সাহায্য করে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাশ্রয়ী উপায়ে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরামর্শ দেয়।😊
🟢 উত্তর ▷✅
LED লাইট: সাধারণ বাল্বের তুলনায় LED বাল্ব অনেক কম বিদ্যুৎ খরচ করে।
এনভায়রনমেন্টালি সাশ্রয়ী ফ্যান: ইনভার্টার ফ্যান বা সাশ্রয়ী পাখা ব্যবহার করতে পারেন।
অটোমেটিক থার্মোস্ট্যাট: যেটি এয়ার কন্ডিশনার বা হিটার ব্যবহারের সময়কে নিয়ন্ত্রণ করে, যাতে তা প্রয়োজনের অতিরিক্ত না চলে।
এনার্জি-ইফিশিয়েন্ট অ্যাপ্লায়েন্স: যেমন কম পাওয়ার খরচ করা ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন, ইত্যাদি।
🟢 উত্তরঃ ▷✅হ্যাঁ, বিদ্যুৎ খরচ অর্ধেক কমানো সম্ভব, তবে এটি নির্ভর করে আপনি কীভাবে আপনার বিদ্যুৎ ব্যবহারের অভ্যাস পরিবর্তন করবেন এবং কোন ধরনের শক্তি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ব্যবহার করবেন। কিছু প্রাথমিক পদক্ষেপ গ্রহণ করলে, যেমন লো-এনার্জি ডিভাইস ব্যবহার, সঠিকভাবে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা, বা উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারে, এটি সম্ভব।😊
এরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল পেতে আমাদের
follow দিয়ে রাখুন । অথবা হোম পেজটি বুকমার্ক করে রাখতে পারেন ।
𝕂𝕚𝕟𝕕𝕝𝕪 𝕃𝕚𝕜𝕖 / 𝔽𝕠𝕝𝕝𝕠𝕨 𝕆𝕦𝕣 ℙ𝕒𝕘𝕖 𝕥𝕠 𝕜𝕖𝕖𝕡 𝕦𝕡𝕕𝕒𝕥𝕖𝕕 ❦
(Education and knowledge are the lights that illuminate the world as they spread.)
0 Comments