Visit Youtube Visit Our Youtube Channel!
Latest Post:👉
Loading......Wait...... Please..........

রক্তে ইউরিক এসিড বেড়ে গেলে কীভাবে বুঝবেন এবং প্রতিরোধে কী করবেন? - Uric Acid

রক্তে ইউরিক এসিড বেড়ে গেলে কীভাবে বুঝবেন এবং প্রতিরোধে কী করবেন?
 রক্তে ইউরিক এসিড বেড়ে গেলে কীভাবে বুঝবেন এবং প্রতিরোধে কী করবেন? Uric Acid

ইউরিক এসিড কি?

ইউরিক এসিড ( Uric Acid ) হল একটি প্রাকৃতিক রাসায়নিক যৌগ, যা শরীরের কোষের মাধ্যমে পুরাতন শেলের কোষ (purine) ভাঙার ফলে উৎপন্ন হয়। পুরাইন হচ্ছে একটি উপাদান যা আমাদের খাদ্যে এবং শরীরের কোষে থাকে। যখন পুরাইন ভেঙে যায়, তখন তা ইউরিক এসিডে রূপান্তরিত হয়। সাধারণত, ইউরিক এসিড রক্তের মাধ্যমে কিডনিতে চলে যায় এবং কিডনি এটি শরীর থেকে বের করার জন্য মূত্রের মাধ্যমে ফিল্টার করে।

ইউরিক এসিড ( Uric Acid ) কেন হয় ?

ইউরিক এসিড শরীরে একটি প্রাকৃতিক রাসায়নিক যা পুরাতন শেলের কোষ (purine) থেকে উৎপন্ন হয়। এটি সাধারণত কিডনি দ্বারা মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। তবে কিছু কারণে ইউরিক এসিডের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে, যা শরীরে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এখানে আমরা জানবো ইউরিক এসিডের পরিমাণ বাড়ার কারণ, উপসর্গ এবং প্রতিরোধের উপায়।

ইউরিক এসিড ( Uric Acid ) বাড়ার কারণ

ইউরিক এসিডের পরিমাণ বাড়ার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে। এই কারণগুলির মধ্যে অন্যতম:

  • কিডনি সঠিকভাবে কাজ না করা: যদি কিডনি ইউরিক এসিডকে সঠিকভাবে ফিল্টার করতে না পারে, তবে এটি রক্তে জমা হতে পারে।

  • অতিরিক্ত পুরাইন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ: রেড মিট (গরুর মাংস, খাসি মাংস), সীফুড (মাছ, চিংড়ি), অ্যালকোহল (বিশেষত বিয়ার) ইত্যাদি খাবারে পুরাইন বেশি থাকে, যা ইউরিক এসিড বাড়াতে সহায়ক।

  • অধিক ওজন: অতিরিক্ত ওজন বা মোটা হওয়ার কারণে ইউরিক এসিডের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।

  • অপর্যাপ্ত পানি পান: শরীরে পর্যাপ্ত পানি না থাকলে ইউরিক এসিড কিডনির মাধ্যমে ফিল্টার হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

  • জিনগত কারণ: কিছু মানুষের শরীরে প্রাকৃতিকভাবে ইউরিক এসিড বেশি উৎপন্ন হয় বা কিডনি এই এসিড সঠিকভাবে ফিল্টার করতে পারে না।

  • ঔষধের প্রভাব: কিছু ঔষধ যেমন ডায়ুরেটিক (মূত্রবর্ধক) ঔষধ ইউরিক এসিড বাড়াতে পারে।
  • ব্যাধি বা অসুখ: উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, লিভারের সমস্যা, হৃদরোগ ইত্যাদি কিছু রোগ ইউরিক এসিডের পরিমাণ বাড়াতে পারে।

ইউরিক এসিড বেড়ে যাওয়ার লক্ষণ ।

 ইউরিক এসিড বেড়ে যাওয়ার লক্ষণ ।

রক্তে ইউরিক এসিড বেড়ে যাওয়ার কিছু সাধারণ লক্ষণ ও উপসর্গ রয়েছে, তবে সঠিকভাবে জানার জন্য রক্ত পরীক্ষা করা সবচেয়ে ভালো। ইউরিক এসিড বাড়লে, এর কিছু উপসর্গ হতে পারে:

রক্তে ইউরিক এসিড বাড়লে গাঁটে ব্যথা হতে পারে

সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হলো গাঁটে ব্যথা, বিশেষত পায়ের বড় আঙুলে। এটি গাউট নামে পরিচিত এবং ইউরিক এসিডের অতিরিক্ত জমার ফলে হয়।


রক্তে ইউরিক এসিড বাড়লে বাতের সমস্যা হতে পারে:

রক্তে ইউরিক এসিডের পরিমাণ বাড়লে বাতের সমস্যা হতে পারে। ইউরিক এসিড শরীরে বেশি হয়ে গেলে তা আর্টিকুলার বা জয়েন্টের মধ্যে জমা হয়ে গাঁঠের মধ্যে ব্যথা, ফুলে ওঠা এবং অস্বস্তি সৃষ্টি ও গাঁটের ফোলাভাব এবং লালচে হয়ে যাওয়া। যা সাধারণত গাউট (Gout) নামে পরিচিত।

গাউট একটি প্রদাহজনক আর্থ্রাইটিস যা প্রধানত পায়ে বড় আঙুলে আক্রমণ করে, তবে অন্যান্য জয়েন্টেও হতে পারে। এই অবস্থা তখন ঘটে যখন ইউরিক এসিডের ক্রিস্টাল জয়েন্টে জমা হয়, ফলে সেখানে প্রদাহ ও ব্যথা হয়।

রক্তে ইউরিক এসিড বাড়লে অস্বস্তি ও ফোলা:

রক্তে ইউরিক এসিডের পরিমাণ বেড়ে গেলে শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে অস্বস্তি এবং ফোলা দেখা দিতে পারে। যখন ইউরিক এসিড অতিরিক্ত জমা হয়, তখন তা গাঁঠের মধ্যে ক্রিস্টাল তৈরি করতে পারে, যা আথ্রাইটিস বা গাউট রোগের কারণ হতে পারে। গাউটের প্রধান লক্ষণগুলো হল:

জয়েন্টে তীব্র ব্যথা: বিশেষ করে পায়ের বড় আঙুলে এটি সাধারণত শুরু হয়, তবে অন্যান্য জয়েন্টেও হতে পারে।

ফোলা এবং লালচে ভাব: affected joint এর চারপাশে ফোলাভাব ও লালচে বা গরম অনুভূতি হতে পারে।

অস্বস্তি বা জ্বালাপোড়া: affected জয়েন্টে টান বা অস্বস্তি অনুভূত হতে পারে। গাঁটে তীব্র ব্যথা, লালচে বা গরম অনুভূতি।

এটি সাধারণত রাতে হঠাৎ করে আক্রমণ করতে পারে এবং বেশ কিছু সময় ধরে থাকতে পারে।

রক্তে ইউরিক এসিড বাড়লে কিডনি স্টোন: হতে পারে

রক্তে ইউরিক এসিডের পরিমাণ বেড়ে গেলে কিডনি স্টোন (গোছানো পাথর) হওয়ার সম্ভাবনা বাড়তে পারে। ইউরিক এসিড যখন অতিরিক্ত হয়, তখন তা কিডনিতে জমা হয়ে পাথর তৈরি করতে পারে। এই পাথরগুলো ইউরিক অ্যাসিড স্টোন নামে পরিচিত।

ইউরিক এসিড কিডনিতে জমা হয়ে স্টোন তৈরি হওয়ার কারণে কিডনির সমস্যা, তীব্র পিঠব্যথা, মূত্রতন্ত্রে ব্যথা, বা প্রস্রাবের রং পরিবর্তিত হওয়া হতে পারে।

ইউরিক এসিড স্টোনের কারণে হওয়া কিছু সমস্যা:

প্রস্রাবের সমস্যা: মূত্রনালি বন্ধ হয়ে গেলে প্রস্রাবের প্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে, বা প্রস্ট্রেটের সাথে সম্পর্কিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তীব্র পিঠব্যথা বা পেটব্যথা: কিডনির পাথর যখন মূত্রনালি থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করে, তখন তীব্র ব্যথা হতে পারে।

রক্তাল্পতা বা প্রস্রাবে রক্ত: কিডনিতে স্টোন থাকলে, প্রস্রাবের রং লাল হয়ে যেতে পারে, যা রক্তপাতের লক্ষণ হতে পারে।

রক্তে ইউরিক এসিড বাড়লে শরীরের অন্যান্য অংশে ব্যথা:

ইউরিক এসিড বাড়লে শরীরের অন্যান্য অংশেও ব্যথা বা অস্বস্তি হতে পারে। বিশেষ করে যদি গাউট (Uric Acid Arthritis) বা ইউরিক এসিডের ক্রিস্টাল জমা হয়ে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। ইউরিক এসিড যখন অতিরিক্ত পরিমাণে জমা হয়, তখন এটি শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে ক্রিস্টাল আকারে জমা হতে পারে, যা প্রদাহ এবং ব্যথা সৃষ্টি করে।

এছাড়া, কিছু সাধারণ লক্ষণ যেমন ক্লান্তি, ত্বকে র‍্যাশ, বা মূত্রের রঙ পরিবর্তনও দেখা যেতে পারে। তবে নিশ্চিত হওয়ার জন্য রক্ত পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

ডা. মো. গুলজার হোসেন, রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতাল একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে বলেন, “খাবারের মাধ্যমে আমাদের শরীরে যে ইউরিক এসিড জমা হয়, সেটা সাধারণত আমাদের কিডনী বের করে ফেলে। কোনো কারণে যদি কিডনী এই কাজটি করতে ব্যর্থ হয় তাহলে রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা বেড়ে যায়। সাধারণত রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা বেড়ে গেলে জয়েন্টে ব্যথা, বৃদ্ধাঙ্গুলি ফুলে যায়, ছোট ছোট জয়েনগুলো ফুলে যায়। জয়েন্টগুলো লাল হয়ে যায়। এরকম হলে হয়তো আপনার ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। আর যদি কোনো সিমটম দেখা না যায় তাহলে আমরা সাধারণত ওষুধ খেতে বলি না। বা খাবার গ্রহণেও কোনো সমস্যা থাকে না।”

ইউরিক এসিড প্রতিরোধে উপকারী পানীয়:

ইউরিক এসিড কমানোর জন্য কিছু পানীয় উপকারী হতে পারে। এসব পানীয়ের মধ্যে রয়েছে:

  • অল্প পরিমাণে প্রোটিন খাওয়াঃ বিশেষ করে মাংস বা সামুদ্রিক মাছ কম খাওয়া।

  • লেবুর পানিঃ লেবুর মধ্যে সাইট্রিক এসিড থাকে, যা ইউরিক এসিডের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

  • চিনি ছাড়া সাদা পানিঃ পর্যাপ্ত পানি পান করলে ইউরিক এসিডের পরিমাণ কমানো সম্ভব।

  • আপেলের ভিনেগারঃ আপেলের ভিনেগারে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ইউরিক এসিড কমাতে সহায়ক।

  • প্রচুর পানি পান করাঃ প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করার মাধ্যমে ইউরিক এসিডের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা যেতে পারে।

  • ডায়েট নিয়ন্ত্রণঃ মাংস, সামুদ্রিক মাছ, ও অতিরিক্ত প্রোটিনের খাবার কম খাওয়া, কারণ এসব খাবারে ইউরিক এসিডের পরিমাণ বেশি থাকে।

  • মেডিকেশনঃ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু ওষুধ নেয়া, যা ইউরিক এসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।

আপনি যদি মনে করেন ইউরিক এসিড বাড়ছে, ডাক্তারকে পরামর্শ করা উত্তম।

ইউরিক এসিড কমানোর ঔষধ

ইউরিক এসিড কমানোর জন্য বেশ কিছু ঔষধ রয়েছে, যেগুলি ডাক্তারদের পরামর্শে ব্যবহার করা উচিত। এসব ঔষধ মূলত গাউট (গাঁটে প্রদাহ) বা হাইপারুরিসেমিয়া (রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়া) নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। নিচে ইউরিক এসিড কমানোর জন্য কিছু সাধারণ ঔষধের নাম দেওয়া হলো:

  • ১. অলপিউরিনল (Allopurinol)
    অলপিউরিনল একটি সাধারণ ঔষধ যা ইউরিক এসিডের উৎপাদন কমাতে সাহায্য করে। এটি ইউরিক এসিডের স্তর নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যবহৃত হয়। তবে, এটি ব্যবহারের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া জরুরি, কারণ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।

  • ২. ফেবুক্সোস্ট্যাট (Febuxostat)
    ফেবুক্সোস্ট্যাটও অলপিউরিনলের মতো কাজ করে, অর্থাৎ এটি ইউরিক এসিডের উৎপাদন কমিয়ে দেয়। এটি গাউট এবং হাইপারুরিসেমিয়া নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি বিকল্প ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয় যখন অলপিউরিনল কার্যকর না হয় বা উপকারে আসে না।

  • ৩. প্রবেনেসিড (Probenecid)
    প্রবেনেসিড একটি ইউরিক এসিড নির্গমনকারক ঔষধ, যা কিডনির মাধ্যমে ইউরিক এসিডের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। এটি সাধারণত হালকা থেকে মাঝারি গাউট রোগীদের জন্য ব্যবহৃত হয়।

  • ৪. কলচিসিন (Colchicine)
    কলচিসিন একটি অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ঔষধ, যা গাউটের কারণে হওয়া প্রদাহ ও ব্যথা কমাতে ব্যবহৃত হয়। এটি ইউরিক এসিডের মাত্রা কমানোর জন্য সরাসরি কাজ না করলেও, গাউটের আক্রমণগুলো কমাতে সাহায্য করে।

  • ৫. নেসেট্রল (Lesinurad)
    নেসেট্রল একটি ইউরিক এসিড নির্গমনকারক ঔষধ, যা প্রবেনেসিডের মতো ইউরিক এসিড কিডনির মাধ্যমে নিষ্কাশন করতে সাহায্য করে। এটি সাধারণত অলপিউরিনল বা ফেবুক্সোস্ট্যাটের সাথে সমন্বয়ে ব্যবহার করা হয়।

  • ৬. স্টেরয়েড (Steroids)
    যদি গাউটের আক্রমণ মারাত্মক হয়, তবে ডাক্তার স্টেরয়েড ব্যবহার করতে পারেন, যা প্রদাহ এবং ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। তবে, দীর্ঘ সময় ধরে স্টেরয়েড ব্যবহার শরীরে বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে, তাই এটি সীমিত সময়ে ব্যবহার করা উচিত।

  • ৭. এনএসএআইডি (NSAIDs - Non-Steroidal Anti-Inflammatory Drugs)
    গাউটের আক্রমণের কারণে যেসব ব্যথা ও প্রদাহ হয়, তা কমাতে আইবুপ্রোফেন (Ibuprofen) বা নাপ্রোকসেন (Naproxen) এর মতো এনএসএআইডি ঔষধ ব্যবহার করা যেতে পারে।

  • ঔষধ ব্যবহারের সময় কিছু পরামর্শ:

    ডাক্তারের পরামর্শে ঔষধ ব্যবহার করুন – ইউরিক এসিড কমানোর জন্য কোনো ঔষধ ব্যবহারের আগে অবশ্যই একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, কারণ সঠিক ডোজ এবং চিকিৎসা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    লাইফস্টাইল পরিবর্তন – ঔষধের পাশাপাশি, আপনার খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাপনে পরিবর্তন আনা জরুরি। যেমন, শর্করা ও মাংসজাতীয় খাবারের পরিমাণ কমানো, বেশি পানি পান করা, অ্যালকোহল পরিহার করা ইত্যাদি।

    ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – যেকোনো ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে। তাই, সেগুলি সম্পর্কে সতর্ক থাকা প্রয়োজন এবং কোনও অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করা উচিত।

    উপসংহার: ইউরিক এসিড কমানোর ঔষধ বেশ কার্যকর, তবে একে শুধুমাত্র ঔষধের মাধ্যমে নয়, জীবনযাপন এবং খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনও করতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শে সঠিক ঔষধ নির্বাচন এবং নিয়মিত চেকআপ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    FAQ ( Frequently Asked Questions ) প্রশ্নঃ উত্তরঃ :

    🟢 উত্তর ▷
    ফেবুক্সোস্ট্যাট হল একটি প্রেসক্রিপশন ওষুধ যা রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমাতে ব্যবহৃত হয়। অস্বাভাবিকভাবে উচ্চতর মাত্রা ফেব্রুস্টোস্ট্যাট গাউট এবং হাইপারুরিসেমিয়া হতে পারে।


    🟢 উত্তরঃ ▷✅ পালং শাক, বিনস, বরবটি, রাজমা খেলে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যায়। তবে রান্না করা শিম, কড়াইশুঁটি, ঢ্যাঁড়স বা টোম্যাটো খেলে কোনও সমস্যা হয় না, মত সুবর্ণা রায়চৌধুরীর। পালং শাক, পুঁই শাক, মুসুর ডাল, বিউলি ডাল, মাটন, সমুদ্রের মাছ খাওয়া মানা। মাছ, চিকেন বা ডিম খাওয়া যায়।🔥😊


    🟢 উত্তর ▷✅ আদায় রয়েছে প্রদাহনাশক উপাদান। ফলে ইউরিক অ্যাসিডের মতো প্রদাহজনিত সমস্যার ক্ষেত্রে আদা চায়ে চুমুক দিলে সুফল পাবেন। আদায় রয়েছে এক বিশেষ ধরনের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। যা ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় ওষুধের মতো কাজ করে।


    🟢 উত্তরঃ ▷✅ যদি রক্তে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যায়, তবে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। ইউরিক অ্যাসিড বাড়লে গাউট (Gout) বা কিডনি স্টোন (Kidney Stones)-এর মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে। এজন্য আপনি নিচের পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করতে পারেন:🚀😊

    ১. ডায়েট নিয়ন্ত্রণ

    ২. প্রতিরোধী চিকিৎসা

    ৩. ওজন নিয়ন্ত্রণ

    ৫. গরম বা ঠাণ্ডা সেঁক

    ৬. চিকিৎসকের পরামর্শ


    আরও পড়ুন :






    ✅ আশা করি,
    এরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল পেতে আমাদের




    follow দিয়ে রাখুন । অথবা হোম পেজটি বুকমার্ক করে রাখতে পারেন ।


    𝕂𝕚𝕟𝕕𝕝𝕪 𝕃𝕚𝕜𝕖 / 𝔽𝕠𝕝𝕝𝕠𝕨 𝕆𝕦𝕣 ℙ𝕒𝕘𝕖 𝕥𝕠 𝕜𝕖𝕖𝕡 𝕦𝕡𝕕𝕒𝕥𝕖𝕕  


        "শিক্ষা ও জ্ঞান সেই আলো, যা যত ছড়িয়ে পড়ে, পৃথিবী তত আলোকিত হয়।"
    (Education and knowledge are the lights that illuminate the world as they spread.)

    Post a Comment

    0 Comments