ভুলে যাওয়ার রোগ (ডিমেনশিয়া) - আগাম সতর্কতা, প্রতিরোধ ও চিকিৎসা | ডিমেনশিয়া লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ | Dementia Awareness
ডিমেনশিয়া একটি জটিল সিন্ড্রোম, যেখানে ব্যক্তির মস্তিষ্কের উচ্চতর কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে হ্রাস পেতে থাকে। এতে অ্যাফেসিয়া (ভাষাগত দক্ষতার অবনতি), অ্যাগনসিয়া (পরিচিত বস্তু বা ব্যক্তিকে চিনতে অক্ষমতা), অ্যাপ্রাক্সিয়া (ইচ্ছাকৃত চলন বা কাজের সমস্যা) এবং কার্যনির্বাহী কার্যকারিতা (পরিকল্পনা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা) উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। ডিমেনশিয়া সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী এবং প্রগতিশীল প্রকৃতির হয়, যার ফলে সময়ের সাথে সাথে আক্রান্ত ব্যক্তি সম্পূর্ণ অক্ষমতার দিকে এগিয়ে যায়।
"20 বছর বয়সে আমি সহজেই কিছু ভুলে যাই কেন?" আমার কি ডিমেনশিয়া হয়েছে?
— Web Tech Info
ডিমেনশিয়ার মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
স্মৃতি শক্তির অবনতি
কথা বলা বা বোঝার সমস্যা
চিন্তা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার অসুবিধা
পরিচিত মুখ, স্থান বা জিনিস চিনতে সমস্যা
দৈনন্দিন কাজ করতে সমস্যা হওয়া
আচরণ এবং মনোভাবের পরিবর্তন
ডিমেনশিয়া (Dementia) রোগী কতদিন বাঁচে?
শৈশব ডিমেনশিয়া একটি বিরল কিন্তু ভয়াবহ ক্রমবর্ধমান অবস্থা, যেখানে শিশুরা ধীরে ধীরে তাদের অর্জিত দক্ষতা হারাতে শুরু করে। কথা বলা, হাঁটা, পড়া, লেখা এবং খেলার মতো মৌলিক ক্ষমতাগুলো একে একে বিলীন হয়ে যায়। সময়ের সাথে সাথে শরীরের কার্যকারিতাও কমে আসে, ফলে শিশুদের দৈনন্দিন জীবনযাপনে চরম বাধা সৃষ্টি হয়।
দুঃখজনক হলেও সত্য, বর্তমানের সীমিত চিকিৎসা ও গবেষণার কারণে শৈশব ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত অধিকাংশ শিশু ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই মৃত্যুবরণ করে। এই কঠিন বাস্তবতা আমাদের আরও বেশি গবেষণা, সচেতনতা এবং চিকিৎসাগত উন্নতির জন্য আহ্বান জানায়, যাতে ভবিষ্যতে এই মরণব্যাধি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়।
👉 বিস্তারিত / Details..